বউ অর্থাৎ স্ত্রী বশীকরণের ২১টি কার্যকরী মন্ত্র | পর্ব—তিন
সতর্কতা: সকল মন্ত্র-তন্ত্র ভালো কাজে ব্যবহার করুন। খারাপ কাজে মন্ত্র-তন্ত্রের ব্যবহার নিজের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই ভালো গুরু ধরুন এবং তার অনুমতি নিয়ে কাজ করুন। গণক্কার কখনোই খারাপ কাজে অনুমতি দেয় না এবং এই বিষয়ে কোন দায় গ্রহণ করে না।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১৫ )
মন্ত্র— যা আমীন যা ফামীন হমারে দিল মে ফলানী কা দিল মিলাদে । ”
বিঃ দ্রঃ — উক্ত মন্ত্রে ফলানী শব্দের স্থলে যে নারীকে বশীভূত করতে হবে , তার নাম বলতে হবে । বৃহস্পতিবার দিন উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ ( দশ হাজার ) বার জপ করলে সিদ্ধ হয় । এবার যাকে বশ করতে হবে , তাকে আগুনের কাছে নিজের সামনে বসাবে , এবার গুগগুল , লােবাম , ধুনা হাতে নিয়ে সেই নারীকে দেখাবে । তারপর পূর্বোক্ত সিদ্ধ মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে আগুনে দিবে । ২১ বার এইভাবে করতে হবে , এবং ৭ দিন , ১৪ দিন বা ২১ দিন পর্যন্ত এই ক্রিয়া করবে । তাহলে উক্ত দিনের মধ্যে সেই নারী বশীভূত হবে । এই মন্ত্র দ্বারা ও প্রক্রিয়ার দ্বারা পুরুষকেও বশ করা যায় । তবে মন্ত্রে যেখানে ফলানী শব্দ আছে , সেখানে পুরুষের নাম বলতে হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১৬ )
মন্ত্র— “ ওঁ হৃং স্বাহা । ”
সিদ্ধ যােগ , শুভ মুহূর্ত বা পর্বদিনে উক্ত মন্ত্র ১০০০ ( এক হাজার ) জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হয় । কালাে বিষ্ণুক্রান্তার মূল পানের মধ্যে দিয়ে , পানটিকে উক্ত মন্ত্রে ৭ বার অভিমন্ত্রিত । করে খাওয়ালে , সেই নারী বশীভূত হয় ।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১৭ )
মন্ত্র— “ ওঁ পিশাচ রূপিণ্যৈ লিঙ্গ পরিচুম্বয়েৎ । নাগং বিসিঞ্চয়েৎ । ”
উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ ( দশ হাজার ) জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে ।
১। উপরােক্ত মন্ত্র জপ করতে করতে ২১ বার মুখ প্রক্ষালন করবে এবং যাকে বশ করবে , সেই নারীর নাম উচ্চারণ করবে। তাহলে সেই নারী বশীভূত হবে ।
২। এক গেলাস জল উক্ত মন্ত্রে ২১ বার অভিমন্ত্রিত করে নারীকে খাওয়ালে সেই নারী বশীভূত হয় ।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১৮ )
মন্ত্র— “ মদ মদ মদ মাদয় খিল হলীং অমুক নাম্নী অমুকস্য রূপাং স্বাহা । ”
মন্ত্র মধ্যে ' অমুক নাম্নী ’ স্থলে , যাকে বশ করবে , তার নাম ব ত হবে ও যেখানে অমুক স্বরূপ শব্দ আছে , সেখানে মেয়েটির গায়ের বর্ণ ও বয়স উচ্চারণ করতে হবে । অর্থাৎ যদি গৌরবর্ণ ও ১৮ বছর বয়স হয় , তাহলে বলতে হবে , “গৌরবর্ণা অষ্টাদশ বৎসরেণ বয় সমন্বিতা।” মন্ত্র জপ করার পূর্বে নিম্নলিখিত অনুসারে কামদেবের ধ্যান করতে হবে । ধ্যান— কাণকরূচির মূৰ্ত্তিঃ কুন্দপুষ্পকৃতিবৈং , যুবতী হৃদয়মধ্যে নিশ্চতাদত্ত দ্রষ্টিঃ । ইতি মনসি মনােজং ধ্যায়য়দ্যো জপস্থেী , বশয়তি চ সমস্তং ভুবনং মন্ত্র সিদ্ধঃ।। ধ্যান শেষে পূর্বোক্ত মন্ত্র ১০,০০০ ( দশ হাজার ) জপ করে , জপের দশাংশ অর্থাৎ ১০০০ ( এক হাজার ) রক্তবর্ণ পুষ্পদ্বারা হােম করবে । এই সব কাজ বা হাতে করতে হবে । মন্ত্র সিদ্ধ হবার পর অভীষ্ট নারীর কথা চিন্তা করতে করতে ১০৮ বার উক্ত মন্ত্র জপ করলে , সেই নারী বশীভূত হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১৯ )
মন্ত্র— “ ওঁ নমাে কামাখ্যা দেবী অমুকীং মে বশ্যং কুরু কুরু স্বাহা।”
মন্ত্র মধ্যে যেখানে অমুকীং শব্দ আছে , সেখানে অভিলষিত নারীর নাম বলবে। শনিবার দিন অভিলষিত নারীর মাথার চুল ও বা পদতলের ধূলা নিয়ে একটি পুতুল নির্মাণ করতে হবে । এবার একখণ্ড নীলবস্ত্রে পুতুলটিকে জড়িয়ে তার যােনিতে নিজের বীর্য ভরে ভগে সিদূর দিবে । তারপর সেই পুতুলকে উক্ত মন্ত্র ২১ বার অভিমন্ত্রিত করে , সেই নারীর ঘরের দরজার বা দিকে পুঁতে দিতে হবে । যখনই সেই নারী উক্ত স্থানে পা দেবে বা ডিঙিয়ে যাবে , সঙ্গে সঙ্গে সে বশ হবে । অথবা সােমবার মৃগশিরা নক্ষত্রে নিজের বীর্যে সুপারী ভিজিয়ে একটি পাত্রে রাখতে হবে । তারপর তাকে ২১ বার পূর্বোক্ত সিদ্ধমন্ত্র দ্বারা অভিমন্ত্রিত করে অভিলষিত নারীকে খাওয়ালে সে বশীভূত হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ২০ )
মন্ত্র—
ওঁ নমাে কালা ভৈরু কালী রাত
কালা কানা আধী রাত।
কালা রে তু মেরা বীর ,
পর নারী কা রাখে শির।
বেগী জা ছাতী ঘরল্যাব
সূতী হােয় তাে জগায় ল্যাং।
শব্দ সঁচা পিণ্ড কাঁচা
ফুরী মন্ত্র ঈশ্বরী বাঁচা।
দীপাবলী অথবা হােলীর রাত্রে লাল রেড়ীর বৃক্ষ একটানে তুলে আনবে । তারপর তাকে পুড়িয়ে কাজল পাড়বে , সেই কাজল উক্ত মন্ত্রে ২১ বার অভিমন্ত্রিত করে , অভিলষিত নারীর চোখে লাগালে , সেই নারী বশীভূত হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ২১ )
মন্ত্র — ধূলী - ধূলী ধিকট চন্দনী , পট মারু ধূলী শিরে দিবানী , ঘর তজে , বাহর তজে , ঠাডা ভরতার তজে , দেবী দিবানী এক সঠী কলু বা ন তু নাহরসিংহ বীর অমুকী নে উঠায় ল্যাব মেরী ভক্তি , গুরু কী শক্তি ফুরাে মন্ত্র ঈশ্বরী বাঁচা । ”
শনিবার দিন যে স্ত্রীলােক মরেছে , তার পায়ের তলার দিকের চিতার আগুন বা অঙ্গার নিয়ে এক নতুন হাঁড়িতে রেখে তার ওপর ৭ বার উক্ত মন্ত্র পড়বে । এই হাঁড়ি যে নারীর দেহে স্পর্শ করাবে , সে বশীভূত হবে । মন্ত্রের মধ্যে যেখানে ‘ অমুকী ’ শব্দ আছে , সেখানে নারীর নাম বলবে।