ঠোঁট ফাটা এবং চামড়া ওঠা সমস্যায় করণীয়
ঠোঁট ফাটায় করণীয়
অনেকের কি-গ্রীষ্ম কি-শীত সব সময় ঠোট ফাটে। এ অবস্থায় করণীয় কী? সব সময় ঠোট ফেটে থাকার কারণ অনেক। তার মধ্যে অন্যতম কারণটি হচ্ছে জিহ্বা দিয়ে ঠোট ভেজানাের অভ্যাস। প্রথমত এ অভ্যাসটি ত্যাগ করতে হবে। এছাড়া আর যা করতে হবে তা হলাে গােসল, আহার ইত্যাদি শেষ হবার সাথে সাথেই অর্থাৎ ঠোট পুনরায় শুকিয়ে যাবার আগেই ঠোটে ভেসলিন বা গ্লিসারিন মাখার অভ্যাস করতে হবে। যদি এতেও কাজ না হয় তাহলে একজন চর্মরােগ বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে প্রয়ােজনীয় ওষুধ নিতে হবে।
ঠোঁটের চামড়া ওঠা:
অনেকেরই ঠোটে একদিন পরপর সাদা সাদা চামড়া ওঠে। প্রতিদিন চামড়া টেনে তােলাতে ঠোট মােটা হয়ে যায়। এটা কি কোনাে রােগ? এর প্রতিকার কী?
বিভিন্ন ধরনের চর্মরােগে ঠোটের চামড়া এভাবে উঠে থাকে, সেক্ষেত্রে একজন চর্মরােগ বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে নেয়াই উত্তম। যদি চর্মরােগের কারণে চামড়া না ওঠে তাহলে যা করতে হবে-
ঠোটে লিপস্টিক ও ক্যান্সার আতংক
কারাে কারাে ধারণা ঠোটে লিপস্টিক লাগালে ঠোটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কথাটা কি সত্য?
না, আদৌ সত্য নয়। লিপস্টিক লাগালে ঠোটে ক্যান্সার হবার কোনাে ঝুঁকি নেই তবে লিপস্টিকে এলার্জি হতে পারে। যদি এলার্জি হয় তাহলে লিপস্টিক ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।
বিনা ধুমপানে কালাে ঠোট
অনেকে ধূমপান করেন না কিন্তু তা সত্ত্বেও ঠোট কালাে হয়। এর সমাধান কী?
ধূমপান না করলেও অনেকের ঠোটের রং কালাে হতে পারে। এতে করণীয় কিছুই থাকেনা। কেউ কেউ ঠোটে সানস্ক্রীন ক্রিম ব্যবহারের কথা বলে থাকেন। সানস্ক্রীন ক্রিম ব্যবহার করে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে ঠোটকে রক্ষা করা যায়। তবে অনেকের অভ্যাস থাকে জিহ্বা দিয়ে ঠোট ভেজানাের। এ অভ্যাসের কারণে ঠোট কালাে হতে পারে। অভ্যাসটি ত্যাগ করলে উপকার পাওয়া যায়।