দুষ্টা বা অবাধ্য স্ত্রী বশীকরণের দুটি মন্ত্র
এই মন্ত্র দুটি তাদের জন্য দাম্পত্য জীবনে যাদের স্ত্রী তাদের কথা শোনে না। সবসময়ই বিপদ লেগেই থাকে, সংসার অশান্তি দেখা দেয়। কেউ যদি মনে করে তার স্ত্রী তাকে সম্মান করে না অথবা স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কোন আকর্ষণ নেই, স্বামীকে অপমান করে, স্বামীর ঘনিষ্ঠে আসে না, ইত্যাদি কারণ দেখা দিলে নিম্নোক্ত মন্ত্র দুটি প্রয়োগ করতে পারেন। এই মন্ত্র দুটি খুবই কার্যকর। ষটকর্ম বিধি মেনে মন্ত্র দুটো করলে অবশ্যই আপনি কাজ সফল হবেন।
দুষ্টা স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র: ১
ওঁ নমঃ ক্ষিপ্রকর্ম্মাণি অমুকীং মে বশমানয় স্বাহা॥
অনুগত স্বামী তাহার স্ত্রীকে বশিভুত করিতে ইচ্ছা করিলে প্রাতে উঠিয়া নিয়মিত নিত্যকর্ম সমাধা পূর্ব্বক ষটকর্মের নিয়মানুসারে উপরে লিখিত মন্ত্রে সাত গণ্ডুষ জল পান করিবে। এক পক্ষকাল ক্রমান্বয়ে এইরুপ করিলে সেই নারী নিশ্চয় বশিভুত হয়। গণ্ডুষ শব্দের অর্থ হলো: হাতের এককোষ বা এক মুখ জল। মন্ত্রোচ্চারণ করে খাবার আগে ও পরে কিছু জল পান। অর্থাৎ আপনার হাতে যতটুকু জল ধরবে।
দুষ্টা স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র: ২
ওঁ নমঃ ভগবতে রুদ্রায় ওঁ চামুণ্ডে অমুকীং মে বশমানয় স্বাহা।
কাকজঙ্ঘা, বচ, কুড় এই দ্রব্যতদ্বয় হস্তে ধারণ করত: উল্লিখিত মন্ত্র তিনবার পাঠপূর্ব্বক স্বীয় দুষ্টা বা অবাধ্য স্ত্রীর হস্তে প্রদান করিলে, সে নিশ্চিত বশীভূত হবে; তবে ষটকর্ম্মের নিয়মানুসারে কার্য সম্পাদন করিবে।