কি ভাবে শত্রু বশীকরণ মন্ত্র প্রয়োগ করতে হয়
প্রিয় পাঠক, আমাদের সমাজে অনেকেই আছেন যারা শত্রুদের নানান অত্যাচার, মিথ্যাচার, মামলা-মোকদ্দমা, ঝগড়া-বিবাদের কারণে বিরক্ত হয়ে গিয়েছেন। শত্রুদের হাত থেকে এই রকম পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য— শত্রু বশীকরণ মন্ত্র টি প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। এতে শত্রুকে বশ করে নিজের কাছে আনতে পারবেন। শত্রুকে যা বলবেন সেটাই করবে। আপনার কথামত চলবে আপনার শত্রু। মন্ত্রটি উচ্চারণ করার আগে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে নেবেন। শুদ্ধ পোশাক-আশাক পড়বেন।
মন্ত্র— “ওঁ নমাে আদেশ গুরু ব্যায়রী বধুং জোগ ফ্যায়লে বাকে ঘরর্মে রােগ কভী ন আওয়ে, আগে তেরে গুরু কে মন্ত্র ফিরেঙ্গে, রক্ত বিন্দু কী বঁধু, ধারা অম্বর বঁধু বধু তারা, মেরী শক্তি, গুরু কি ভক্তি ফুরে মন্ত্র সাচা, পিংড কাচা ঈশ্বরী বাধা হন হন ফট স্বাহা।
উক্ত মন্ত্র শনিবার দিন থেকে শুরু করে ২১ দিন পর্যন্ত প্রত্যহ ১০৮ বার করে জপ করবে । প্রত্যহ হনুমানজীর পূজা করবে, মিঠাইয়ের ভােগ দিয়ে ছােট ছােট বালকদের প্রসাদ ভাগ করে দেবে। এই প্রক্রিয়ায় শত্রু বশীভূত হয়ে সাধকের কাছে ছুটে আসবে।
সতর্কতা: শত্রু বশীকরণ মন্ত্র ভালো কাজে ব্যবহার করুন। খারাপ কাজে মন্ত্র-তন্ত্রের ব্যবহার নিজের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই ভালো গুরু ধরুন এবং তার অনুমতি নিয়ে কাজ করুন। গণক্কার কখনোই খারাপ কাজে অনুমতি দেয় না এবং এই বিষয়ে কোন দায় গ্রহণ করে না।