এক সাথে সর্ব বশীকরণ ছয়টি মন্ত্র চর্চা করুণ —গণক্কার
সতর্কতা: সকল মন্ত্র-তন্ত্র ভালো কাজে ব্যবহার করুন। খারাপ কাজে মন্ত্র-তন্ত্রের ব্যবহার নিজের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই ভালো গুরু ধরুন এবং তার অনুমতি নিয়ে কাজ করুন। গণক্কার কখনোই খারাপ কাজে অনুমতি দেয় না এবং এই বিষয়ে কোন দায় গ্রহণ করে না।
সর্ব বশীকরণ মন্ত্র (১)
মন্ত্র—“ওঁ নমাে ভগবতে ঈশানায় সােমভদ্রায় বশমান্য স্বাহা।”
উপরােক্ত মন্ত্র চন্দ্রগ্রহণ কালে ১০,০০০ (দশ হাজার) জপ করলে সর্বজন বশ হয়।
সর্ব বশীকরণ মন্ত্র (২)
মন্ত্র—“ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং ক্লীং কালিকে সর্বান্ মম বশ্যং কুরু কুরু সর্বান্ কামান্ মে সাধয় সাধয় স্বাহা।”
চন্দ্র অথবা সূর্যগ্রহণ কালে উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ (দশ হাজার) জপ করলে এই মন্ত্র সিদ্ধ হয় ও সবাইকে বশ করা যায়।
১। প্রাতঃকালে উক্ত সিদ্ধ মন্ত্র ২১ বার উচ্চারণ করে, যে ব্যক্তির নাম করে নিজের মুখ জল দ্বারা প্রক্ষালন করবে, সেই ব্যক্তি বশীভূত হবে।
২। এক গেলাস জল উক্ত মন্ত্রে ২১ বার অভিমন্ত্রিত করে সেই জল যাকে খাওয়াবে সেই ব্যক্তি বশীভূত হবে।
সর্ব বশীকরণ মন্ত্র (৩)
মন্ত্র—“ওঁ ক্লং ক্লীং হ্রীং নমঃ।”
উপরােক্ত মন্ত্র চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণকালে যদি ১০০০ (এক হাজার) জপ করা যায় তাহলে পাতালবাসী বশীভূত হয়। ২০,০০০ (দশ হাজার) জপ করলে দেবতা বশ হয়।
১০,০০০০ (এক লক্ষ) জপ করলে ত্রিলােকের প্রাণী বশ হয়।
সর্ব বশীকরণ মন্ত্র (৪)
মন্ত্র—“ওঁ নমাে ভগবতী পুর পুর বেশনি পুরাধিপতয়ে সর্বজগভয়ঙ্করি ছিং মৈং উং রাং রাং রং রীং ক্লীং বালৌসঃ বঞ্চকাম বাণং সর্ব শ্রী সমস্ত নরনারীগণং মম বশ্যং নয় নয় স্বাহা।”
কোন শুভ মুহূর্তে উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ (দশ হাজার) জপ করলে এই মন্ত্র সিদ্ধ হবে। প্রয়ােজন সময়ে উক্ত সিদ্ধ মন্ত্র ২৫ বার জপ করতে করতে নিজের মুখের ওপর হাত বুলাবে, তারপর যেদিকে চেয়ে দেখবে, সেদিকের সবাই বশ হবে।
সর্ব বশীকরণ মন্ত্র (৫)
মন্ত্র—“ওঁ নমাে ভগবতি চামুণ্ডে মহাহৃদয়কম্পিনি স্বাহা।”
কোনও শুভ মুহূর্তে উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ (দশ হাজার) জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে। মন্ত্র সিদ্ধির পর একটি পান উক্ত মন্ত্রে ২১ বার অভিমন্ত্রিত করে যে কোনও স্ত্রী-পুরুষকে খাওয়াবে, সেই বশীভূত হবে।
সর্বজন বশীকরণ মন্ত্র(৬)
মন্ত্র—“ওঁ নমাে আদেশ গুরু কি রাজ্ঞা মােহুং, প্রজা মােহুং, ব্রাহ্মণ বানিয়া, হনুমন্ত রূপ সেঁ জগৎ মােহুং, তাে রামচন্দ্র পর মানিয়া, গুরু কি শক্তি মেরী ভক্তি ফুরাে মন্ত্র ঈশ্বরী বাচা।”
শুভ মুহূর্তে ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য সাজিয়ে প্রথমে শ্রীরামচন্দ্রের ধ্যান করে পূজা করবে। পরে ২১ দিন পর্যন্ত উক্ত মন্ত্র ১২১ বার করে জপ করলে উক্ত মন্ত্র সিদ্ধ হবে। গ্রামের চৌরাস্তায় গিয়ে সেখান থেকে ধূলা নিয়ে সেই ধূলাকে ৭ বার উক্ত মন্ত্রে অভিমন্ত্রিত করে নিজের কপালে তিলক দিলে যে ব্যক্তি দেখবে সেই বশীভূত হবে।