বউ অর্থাৎ স্ত্রী বশীকরণের ২১টি কার্যকরী মন্ত্র | পর্ব—দুই

সতর্কতা: সকল মন্ত্র-তন্ত্র ভালো কাজে ব্যবহার করুন। খারাপ কাজে মন্ত্র-তন্ত্রের ব্যবহার নিজের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই ভালো গুরু ধরুন এবং তার অনুমতি নিয়ে কাজ করুন। গণক্কার কখনোই খারাপ কাজে অনুমতি দেয় না এবং এই বিষয়ে কোন দায় গ্রহণ করে না।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ৮ )
মন্ত্র— “ ওঁ কুম্ভনী স্বাহা । ”
যে কোনও গ্রহণকালে উক্ত মন্তর ১০,০০০ ( দশ হাজার ) জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে । উক্ত সিদ্ধ মন্ত্র পাঠ করে কোনও সুগন্ধিত পুষ্প ১০৮ বার অভিমন্ত্রিত করে যে নারীকে সেই পুষ্পের ঘ্রাণ দেওয়াবে , সেই নারী বশীভূত হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ৯ )
মন্ত্র— “ ওঁ নমাে নমঃ পিশানী রূপং ত্রিশূলং খঙ্গং হস্তে সিংহারূঢ়ে অমুকীং মে বশমানগচ্ছমাগচ্ছ কুরু কুরু স্বাহা। ”
যে কোনও গ্রহণকালে উক্ত মন্ত্রর জপ শুরু করে ২১ দিন প্রত্যহ ১০০০ ( এক হাজার ) করে জপ করলে , মন্ত্র সিদ্ধ হবে । মন্ত্র মধ্যে যেখানে অমুকীং আছে সেখানে নারীর নাম উল্লেখ করতে হবে । উক্ত সিদ্ধ মন্ত্র ভূর্জপত্রে আলতা দ্বারা লিখে নারীর নাম উচ্চারণ করে ধূপ দিলে সেই নারী বশীভূত হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১০ )
মন্ত্র— “ ঐং সহবজরি ক্লীংকর ক্লীং কাম পিশাচ অমুকীং ( নারীর নাম হবে ) কামং গ্রাহক গ্রাহক স্বপ্নে মম রূপেণ নখৈবিদারয় বিদারয় দ্রাবয় দ্রাবয় রদ রদ মহেন বন্ধয় শ্রীং ফট্।”
উপরােক্ত মন্ত্র কাম বিহ্বল চিত্তে রাত্রিকালে ১৫ দিন পর্যন্ত ১০,০০০ ( দশ হাজার ) করে জপ করলে সেই নারী বশীভূত হয়।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১১ )
মন্ত্র— “ ঐং সহবল্লরি ক্লীং কর ক্লীং কাম পিশাচি অমুকীং ( নারীর নাম ) কাম গ্রাহয় পদমে মম রূপেণ নখৈর্বিদারয় বিদারয় দ্রাবয় দ্রাবয় । বন্ধয় শ্রীং ফট্। ”
এই মন্ত্রটি এবং এর বিধিও ১০ নং বশীকরণের মতাে হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১২ )
মন্ত্র— “ ওঁ ঠঃ ঠঃ ঠঃ ঠঃ অমুকী ( নারীর নাম হবে ) মে বশ মানয় স্বাহা , হীং ক্লীং শ্রীং শ্রীং ক্লীং স্বাহা। ”
রবিবার দিন উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ ( দশ হাজার ) জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হয় । ররিবার দিন ৩০০ গ্রাম যবের আটা খুব মিহি করে পেষণ পূর্বক জল দিয়ে মেখে একটি মােটা রুটি করে আগুনে এক দিকটা সেঁকতে হবে । এমনভাবে সেঁকতে হবে , যেন দু’দিকটি সেঁকা বলে মনে হয় । এবার রুটির যে দিকটি সেঁকা হয়নি , সেদিকে জলে সিদূর গুলে , নিজের তর্জনী অঙ্গুলি দ্বারা উপরােক্ত সিদ্ধ মন্ত্রটি লিখবে । এবার গন্ধ , পুষ্প , সুপারী , পান ও প্রদীপ জ্বেলে বটুকনাথ তথা দক্ষিণা সহ ঐ মন্ত্র নির্মিত রুটির পূজা করবে । এবার তার ওপর মিষ্টান্ন , দধি , চিনি এমন ভাবে রুটির ওপর রাখতে হবে , যাতে রুটি ঢাকা পড়ে । পরে যাকে বশ করতে হবে , তার নাম উচ্চারণ করে উপরােক্ত সিদ্ধমন্ত্র ১০৮ বার জপ করবে । পরে মন্ত্র পড়তে পড়তে রুটিকে টুকরা করে কোন কালাে কুকুরকে খাওয়াবে । এই প্রক্রিয়ার দ্বারা অভিলষিত নারী বশীভূত হবে । এই মন্ত্র জপ ও প্রয়ােগকালে পূর্ণ ব্রহ্মচর্য পালন করতে হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১৩ )
মন্ত্র— “ ঐং ভগ ভুগ ভগনি ভগগাদরি ভগমালে যােনি ভগনিপতিনি সর্বং ভগ সংকরি ভগরূপে নিত্য ক্লৈং ভগস্বরূপে সর্ব ভগানি মম বশ্য মানয় বরদে রেতে ভগ ক্লিন্নে ক্লান দ্রবে ক্লেদয় দ্রাবয় অমােঘে ভগবিধে ক্ষুভ ক্ষোভয় সর্ব সত্ত্বাভগেশ্বরি ঐং ক্ল জ ক্ল মামলু হ্যায় হ্যায় ক্লিগ্নে সর্বাণি ভগানি তস্মৈ স্বাহা। ”
গ্রহণকালে এই মন্ত্র ১০,০০০ ( দশ হাজার ) জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে । প্রয়ােজন সময়ে যে নারীকে বশ করতে হবে , তার দিকে চেয়ে উক্ত সিদ্ধ মন্ত্র জপ করলে , সেই নারী শীঘ্র বশীভূত হবে।
স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্র ( ১৪ )
মন্ত্র— “ ওঁ নমঃ ক্ষিপ্রকামিনি অমুকী ( নারীর নাম ) মে বশমানয় স্বাহা । ”
যে কোনও গ্রহণকালে উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ ( দশ হাজার ) জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে । প্রাতঃকালে দাত মেজে মুখ ধুয়ে একটি ঘটিতে জল ভর্তি করে হাতে নিয়ে , উক্ত মন্ত্র দ্বারা ৭ বার অভিমন্ত্রিত করে সেই জল নিজেই খেয়ে ফেলবে । ৭ দিন প্রত্যহ এইভাবে করলে অভিলষিত নারী বশীভূত হবে।
Previous Next
No Comments
Add Comment
comment url